মোস্তাফিজের পাশেই আছেন কাপ্তান মাশরাফি
সাতক্ষিরার বিস্ময় বালক মোস্তাফিজের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পদার্পণ যেন মেঘ না চাইতেই বৃষ্টির মত। অসম্ভব প্রতিভাবান এই পেসার বাংলাদেশ দলেই শুধু নয় পুরো ক্রিকেট বিশ্বতেই ছড়িয়েছেন এক নতুন উদ্দীপনা। বাংলাদেশ ক্রিকেটের এক নতুন অধ্যায়ের যেন সবথেকে সুন্দর সুচনাটার প্রায় অনেকাংশ জুড়েই ছিলেন ক্যাটার ম্যাস্টার খ্যাত এই বিস্ময় বালক মোস্তাফিজ। অভিষেকের পর থেকেই পুরো বাংলাদেশের ক্রিকেটকে দিয়েছেন এক নব্য মাত্রা। নিজেও পেয়েছেন কোটি ভক্তের ভালোবাসা খুব সহজেই। তাকে মুদ্রার অপর পার্শ দেখতে খুব একটা বেগ পেতে হয়নি।
৪-৫ ম্যাচেই ২০-২৫ উইকেট পাওয়া বালকের সবকিছুই যেন বিপরীত ঘটছে ইনজুরি থেকে ফেরার পরেই। ইনজুরির পর থেকেই যেন সবকিছুই উল্টো ঘটছে। ইনজুরির থেকেই নিজের অস্বাভাবিক(অস্বাভাবিকইই বলা কারণ তার প্রতিনিয়তই যে রূপ দেখিয়েছেন তা সত্যিই অভাবনীয়, প্রতি ম্যাচেই ৪-৫ উইকেট ছিল তার সহজাত কাজ)রূপেই আর ফিরে আসতে পারছেন না। আগের আইপিল এ ছিলেন পুরো সানরাইজ হাইদ্রাবাদের প্রানের ভোমরা। সেরা উদিয়মান ক্রিকেটারের পুরষ্কার ও ছিল তার হাতের।কিন্তু ইঞ্জুরির পরেই আর তার স্বাভাবিকতা যেন ধরার বাহিরেই।কিন্তু প্রতিটা ক্রিকেটারেই এমন সময় ছিল। তাই বিসিবি ও তা উপর আস্থাটা কোন অংশেই কম রাখছেন না। চ্যাম্পিয়নস ট্রফির দেশ ছাড়ার আগেই সংবাদ সম্মেলনে মোস্তাফিজ প্রসঙ্গ উঠলে বলেন"
‘ওর ক্যারিয়ারে এখন যা ঘটছে, এটাই স্বাভাবিক। আগে সে যা পেয়েছে, সেটা অস্বাভাবিক ছিল। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এসেই চার-পাঁচ ম্যাচে ৩০ উইকেট পাওয়া অবিশ্বাস্য ব্যাপার! এখন তাকে কষ্ট করে উইকেট নিতে হবে। ওকে ব্যাটসম্যানরা পড়তে পারছে। সব
দলে ভালো মানের কম্পিউটার বিশ্লেষক থাকে, তারা ওর শক্তির দিকগুলো বের করছে।’ ২০১৬ সালের পুরোটা সময়ই পার করেছেন চোটকে সাথে নিয়ে। তাই এতে অবাক হওয়ার কিছুই নাই তার এই সম্প্রতি পারফর্মেন্সে। তাকে যত্ন করে সঠিক পর্যবেক্ষণ করলে তিনি যে দেশের অন্যতম সম্পদ হবেন তা নিঃসন্দেহই বলা যায়। সঠিক সময়ে সঠিক পদক্ষেপেই পারে তাকে দেশের অন্যতম সেরা সম্পদ বানাতে। মাশরাফি চান এই অবস্থায় যেন তিনি (মোস্তাফিজ)
নির্ভয়ে ক্রিকেট খেলুক। তিনি আরো বলেন"‘ওর বয়সও বেশি নয়। খুব কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে সে। আমরা ওকে যদি চাপ দিই, ওর জন্য পরিস্থিতি আরও কঠিন হবে। ওকে নির্ভার রাখতে পারলে আমার মনে হয় আগামী ১০ বছরে সে বিরাট সম্পদ হবে।’
মোস্তাফিজ এর সঠিক নির্ভয় উদ্যমই পারে সবকিছুই।
৪-৫ ম্যাচেই ২০-২৫ উইকেট পাওয়া বালকের সবকিছুই যেন বিপরীত ঘটছে ইনজুরি থেকে ফেরার পরেই। ইনজুরির পর থেকেই যেন সবকিছুই উল্টো ঘটছে। ইনজুরির থেকেই নিজের অস্বাভাবিক(অস্বাভাবিকইই বলা কারণ তার প্রতিনিয়তই যে রূপ দেখিয়েছেন তা সত্যিই অভাবনীয়, প্রতি ম্যাচেই ৪-৫ উইকেট ছিল তার সহজাত কাজ)রূপেই আর ফিরে আসতে পারছেন না। আগের আইপিল এ ছিলেন পুরো সানরাইজ হাইদ্রাবাদের প্রানের ভোমরা। সেরা উদিয়মান ক্রিকেটারের পুরষ্কার ও ছিল তার হাতের।কিন্তু ইঞ্জুরির পরেই আর তার স্বাভাবিকতা যেন ধরার বাহিরেই।কিন্তু প্রতিটা ক্রিকেটারেই এমন সময় ছিল। তাই বিসিবি ও তা উপর আস্থাটা কোন অংশেই কম রাখছেন না। চ্যাম্পিয়নস ট্রফির দেশ ছাড়ার আগেই সংবাদ সম্মেলনে মোস্তাফিজ প্রসঙ্গ উঠলে বলেন"
‘ওর ক্যারিয়ারে এখন যা ঘটছে, এটাই স্বাভাবিক। আগে সে যা পেয়েছে, সেটা অস্বাভাবিক ছিল। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এসেই চার-পাঁচ ম্যাচে ৩০ উইকেট পাওয়া অবিশ্বাস্য ব্যাপার! এখন তাকে কষ্ট করে উইকেট নিতে হবে। ওকে ব্যাটসম্যানরা পড়তে পারছে। সব
দলে ভালো মানের কম্পিউটার বিশ্লেষক থাকে, তারা ওর শক্তির দিকগুলো বের করছে।’ ২০১৬ সালের পুরোটা সময়ই পার করেছেন চোটকে সাথে নিয়ে। তাই এতে অবাক হওয়ার কিছুই নাই তার এই সম্প্রতি পারফর্মেন্সে। তাকে যত্ন করে সঠিক পর্যবেক্ষণ করলে তিনি যে দেশের অন্যতম সম্পদ হবেন তা নিঃসন্দেহই বলা যায়। সঠিক সময়ে সঠিক পদক্ষেপেই পারে তাকে দেশের অন্যতম সেরা সম্পদ বানাতে। মাশরাফি চান এই অবস্থায় যেন তিনি (মোস্তাফিজ)
নির্ভয়ে ক্রিকেট খেলুক। তিনি আরো বলেন"‘ওর বয়সও বেশি নয়। খুব কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে সে। আমরা ওকে যদি চাপ দিই, ওর জন্য পরিস্থিতি আরও কঠিন হবে। ওকে নির্ভার রাখতে পারলে আমার মনে হয় আগামী ১০ বছরে সে বিরাট সম্পদ হবে।’
মোস্তাফিজ এর সঠিক নির্ভয় উদ্যমই পারে সবকিছুই।

Comments
Post a Comment